লেখনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লেখনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৫

অগ্নিদগ্ধ হয়ে যে মানুষটা বেঁচে ছিলো - রাজীব রায়হান

তীব্র শীতে জবুথবু আমি,
জং ধরে গেছে আমার বুড়ো হাড়ে,
কেউ কি একটু আগুন দেবে?
ফুরিয়ে গেছে উষ্ণতা সেই কবেই ভাঁড়ার ঘরে
একটুখানি ছোট্ট আগুন,
ওম ওম হয়ে ছড়িয়ে যাবে আমার দেহের ভাজে
আটকে রাখতে পারো না আমায়?
তোমার দেহের উষ্ণ কোনো খাঁজে?
খুব সকালে একটু আগুন
করে দিতে পারো তুমি?
একটুখানি খুনসুটি আর মানভাঙানো আগুন
দেবে কি রোজই ঘুম ভাঙিয়ে? জাগ্রত হবো আমি?
আরেকটু বেশি হলেও নাহয় সয়ে নেবো সেই কষ্ট,
রাগের আগুনে হয়ে যাবে কি সকাল সন্ধ্যা নষ্ট?
হয় যদি হোক, আমার তাতে তবু আপত্তি নেই
আমি তো আগুন চেয়েছিলাম শীত থেকে বাঁচতেই
কিছুই যদি না থাকে, তবু
তোমার ঘৃণার তীব্র আগুন আমায় নাহয় দিলে
বেঁচে রবো কিবা জ্বলে পুড়ে যাবো,

সে খবর নাই নিলে

অযাচিত নক্ষত্র - অনন্ত আরফাত

শহরের শীতগুলো মাঝে মাঝে
বৃষ্টির মতো খুব ভিজিয়ে দেয় ,
রাত্রিক্লান্ত সোডিয়াম লাইটগুলো
মানুষের চোখে উকি দিয়ে দেখে
পতিতার ব্লাউজ , উচুনিচু ---
ভালবাসাগুলো ধান্ধাবাজ ফিনিক্স
পাখি হয়ে মনে মনে উড়ে ;
ফুটপাতে ভিখারি শরীরগুলো
মাঝে মধ্যে নড়ে উঠে হঠাৎ ,
ভিখিরিনী খিস্তি দেয় , বলদা ---
রাত মাপে নিঃসঙ্গ এটিএম বুথ ,
মনে পড়ে মানুষের শরীরের ঘ্রাণ
কুয়াশামাখা স্লাইডিং ডোর ---
মাঝে মাঝে ছ্যাঁচড়ের হাতে
ভালবাসাগুলো বেচা হয়ে যায় ,
কিছু শরীরের ভাজ পড়ে থাকে তবুও
ভোর রাতে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফেরে
মানুষের মতো সেইসব শরীর ;
হাস্নুহেনাগুলো মাঝে মাঝে শিস দেয়
ঘামের গন্ধের মতো ঘ্রাণ ---
ভিখিরিনী আবার জড়িয়ে ধরে
হাড়জিরজিরে ভিখারির বুক
সোডিয়াম লাইট চোখে মুছে ---
মানুষের বুক , বুকের ভাজ
শরীরগুলো তার কাছে মাঝে মাঝে
দরিদ্রতম নক্ষত্র বলে মনে হয় ,
ত্যানা ত্যানা শীত , সোডিয়াম লাইট
মানুষের মতো শরীরেরা ভিজে

সীমানা বদল - দীপঙ্কর বেরা

অত্যাচারের কোন ঘর নেই
তারা বরাবরই শরণার্থী ,
পৃষ্ঠার বদল ঘটিয়ে আরো মজবুত পাহারা
দিনান্ত সেই বিকেল আনে আর
বিবেক বুঝে কড়মড়িয়ে খায়
আবার বিকেল হয়ে যায়
খবর আসে দয়ার পাত্র উপুড় করে
সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ে শালীনতা ,
দু মুঠো তার ভাতের ছবি
তাতেও মুখের হিসেব নিকেশ
রাত বেড়ে যায় রাতের কথায়
সকাল হলেই সকাল হবে কি ?

বেঁচে আছে বাঁচিয়ে ওরা বলছে তত্ত্ব কথা
ঘুরে ফিরে ঘটছে কেবল রক্তকথা রক্তকথা

রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৫

চোরাস্রোত - অপূর্ব ঘোষ

দুঃখ নদীর এপার ওপার নেই'তো,
মনের মধ্যে বইছে তবু সেই'তো
ঢেউ এর পরে ঢেউ ভাঙছে
কূল-ভাঙছে হায়রে !
সুখ-শৈবাল দলে দলে
যায় ভেসে যায় পলে পলে
তবুও মন সেই ঢেউয়ে'
নিত্য-ভেসে যায়রে
কত কথার বকুল মালা
কত মনের গোপন জ্বালা
যায় ভেসে যায় চোরাস্রোতে তাইনা !
নদীর বুকে ঢেউ জাগে আর
জলের বুকে বেদনা কার
যায় ভেসে যায় দেখতে
আমরা-চাইনা
আমরা শুধু ঢেউ গুনে যাই
আমরা শুধু মনকে বোঝাই
হচ্ছে দেখ দুঃখ কেমন ঢেউয়ের
পাকে জব্দ

আমরা বিভোর নতুন হাওয়ায়,
নিত্য নতুন চাওয়া পাওয়ায়
কেউ শুনিনা হৃদয় ভাঙার
গহীন চাপা শব্দ

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৪

প্রকাশিত হয়েছে লেখনী ত্রৈমাসিক ই ম্যাগ "ঝরোকা"র এপ্রিল - জুন ২০১৪ইং সংখ্যা


লেখনী পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে লেখনী ত্রৈমাসিক ই ম্যাগ "ঝরোকা"র এপ্রিল - জুন ২০১৪ইং সংখ্যা। আমাদের ওয়েবসাইট www.lekhony.tk এর স্কিনশটের চিত্র সহকারে নিচে লেখনী ত্রৈমাসিক ই ম্যাগ "ঝরোকা"র এপ্রিল - জুন ২০১৪ইং সংখ্যার লিংকটি লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করে দেখানো হল । এই লিংকে ক্লিক করে সংকলনটি পড়া ও ডাউনলোড করা যাবে । যাদের লেখা এই সংকলনে স্থান পেল তাদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন । আগামীতে আমাদের নিজস্ব প্রকাশনা থেকে আরও অনেক ই-বই বের হবে এবং আমাদের লাইব্রেরীও আরও অনেক সমৃদ্ধ হবে, তাই সাথেই থাকুন, আপনি চাইলে এই বই গুলো সংগ্রহে রাখা বা অফ লাইনে পড়ার জন্য ডাউনলোডও করতে পারবেন, সেজন্য প্রথমে ক্লিক করে বইয়ের পাতাটি খোলার পর উক্ত পাতার উপরে তীর চিহ্নে ক্লিক করতে হবে । সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা ।

বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৪

"ঝরোকা" এপ্রিল - জুন ২০১৪ইং সংখ্যার কাভার পেজ অবমুক্ত

লেখনী ত্রৈমাসিক ই ম্যাগ "ঝরোকা"র এপ্রিল - জুন ২০১৪ইং সংখ্যার কাভার পেজ অবমুক্ত করা হল, বর্তমানে ঝরোকার এ সংখ্যার লেখা চুড়ান্ত বাছাই ও সম্পাদনার কাজ চলছে । ঈদ উল ফিতর এবং ঈদের বিশেষ সংখ্যার প্রকাশনার জন্য "ঝরোকা"র এপ্রিল - জুন ২০১৪ ইং সংখ্যার প্রকাশ বিলম্বিত হচ্ছে । বরাবরের মত এই সংকলন আমাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হবার পাশাপাশি সংগ্রহে রাখার জন্য ওয়েবসাইট, গ্রুপ এবং পেজ থেকে ই বুক আকারে পড়া ও ডাউনলোড করা যাবে।





শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৪

ঝরোকা - লেখনী ত্রৈমাসিক ই-ম্যাগ



একটি সম্পূর্ণ -ম্যাগ হিসাবে লেখনী ত্রৈমাসিক অনলাইন সংকলন এপ্রিল - জুন ২০১৪ইং সংখ্যা থেকে "ঝরোকা" নামে প্রকাশিত তে যাচ্ছে,  বর্তমানে "ঝরোকা" এপ্রিল-জুন ২০১৪ ইং সংখ্যার জন্য লেখা নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে, ঈদ উল ফিতর এবং ঈদের বিশেষ সংখ্যার প্রকাশনার জন্য "ঝরোকা" এপ্রিল - জুন ২০১৪ ইং সংখ্যার প্রকাশ বিলম্বিত হচ্ছে ফেসবুক গ্রুপ পেজে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে প্রাপ্ত প্রকাশিত লেখা থেকে সংকলনের জন্য লেখা নির্বাচন করা হবে, লেখা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোন লেখার বিষয়ে যে কেউ মন্তব্যে অন্য কারো লেখার জন্য প্রকাশ করা বিষয়ক মতামত জানাতে পারবেন বরাবরের মত এই সংকলন আমাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হবার পাশাপাশি সংগ্রহে রাখার জন্য ওয়েবসাইট, গ্রুপ এবং পেজ থেকে বুক আকারে পড়া ডাউনলোড করা যাবে "ঝরোকা" প্রকাশনা ট্যাগটি লেখনী ওয়েবসাইট www.lekhony.tk থেকে বর্তমানে এভাবে দেখা যাচ্ছে  




মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০১৪

ঈদের বিশেষ সংখ্যা ২০১৪ ইং প্রকাশের প্রাক্কালে



যে কথাটা সবার মনে একটা ব্যাস্ত ঘাসফড়িঙের মতো লাফ দিয়ে এসেই আবার লাফ দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল সেই কথাটা একটা সাদা কাক সবাইকে কা কা করে জানিয়ে দিল অমনি সবাই নড়ে চড়ে বসলো কথা শুরু হোল, একটা ঈদ সংকলন বের করা দরকার ব্যাস্ত হয়ে উঠলো এক ঝাক মৌমাছি আজ সেই ঈদ সংকলন পূর্ণতাও পেলো পৃথিবীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কম বেশী সবারই মন বিষাদ থাকে আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় যেই সুখটা খুব স্বাভাবিক ভাবেই আসে তা করতেও দ্বিধা হয় এমন সময়গুলোতে কারন কোথাও না কোথাও কোন এক দেশে মানুষ মানুষকে নৃশংস ভাবে হত্যা করছে সেই অস্বাভাবিকতা আমাদের স্বাভাবিক জীবনকে স্বাভাবিক হতে বাঁধা দেয়যখন ডাকা হোল সবাইকে ঈদ নিয়ে কিছু লিখতে, বেশির ভাগ লেখাতেই চলে এলো প্যালেস্টাইনের কথাকিছু লিখতে বসলে লেখক তার মনের গভীরে চলে যায়, লেখায় তার মনের ছায়া পড়ে স্পষ্ট এখানেও তার ব্যাতিক্রম হয় নি ঈদ মানে আনন্দ জেনেও ঘুরে ফিরে আমরা প্যালেস্টাইনের আনন্দহীন শিশুদের কথা ভেবেছি গাজা , সিরিয়া , লিবিয়া, ইরাক, ইউক্রেইন চলে আসে আমাদের লেখায় তবুও জীবন থেমে থাকে না থেমে থাকেনি মানুষ ঈদ করেছে , আনন্দ করেছে প্রেম ভালোবাসা, সুখ দুঃখ , সাফল্য হতাশা , হাসি আনন্দে ভরা এই পৃথিবীতে জীবন এগিয়ে চলুক প্রতিদিনের নতুন স্বপ্ন এবং প্রতিজ্ঞা নিয়েশান্তি আসুক সবার মনে লেখনী পরিবারের পক্ষ থেকে সেই কামনাই করছি সবার জন্যে

শিল্পী রহমান 

০১ লা আগস্ট, ২০১৪ ইং                                                                                   

ব্রিসবেন, অস্ট্রেলিয়া

ঈদ উল ফিতর সংখ্যা ২০১৪ইং সম্পর্কে কিছু কথা



লেখনী সাহিত্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ উল ফিতরের প্রানঢালা শুভেচ্ছা, প্রথমে আমাদের ঈদ উল ফিতর উপলখ্যে কোন বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করার পরিকল্পনা ছিল না, রমজানের মাঝামাঝি একদিন লেখনী অ্যাডমিন চ্যাটবক্সে লেখনী ঈদ উল ফিতর উপলখ্যে একটি বিশেষ সংখ্যা ২০১৪ প্রকাশের বিষয়টি উত্থাপিত হয় এবং সর্বসম্মতি ক্রমে তা গৃহীত হয়, এরই ধারাবাহিকতায় ২০ জুলাই ০৫ দিনের অর্থাৎ ২৫ জুলাই শেষ সময় বেঁধে দিয়ে এই মর্মে একটি ঘোষণা দেয়া হয়, কিন্তু সংক্ষিপ্ত সময়ের কারনে ঈদ সংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত ভালো লেখা পাওয়া না যাওয়াতে পরে লেখা জমা দেবার সময়সীমা ২৫ জুলাই থেকে বাড়িয়ে ৩০ শে জুলাই করা হয় যার ফলে প্রথমে ঈদের আগে প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও লেখনী ঈদ সংখ্যা প্রকাশিত হল ঈদের পর ।    

প্রাপ্ত লেখা থেকে নির্বাচক প্যানেলের মাধ্যমে বাছাইকৃত ২০ টি কবিতা, ০২টি গল্প ও ০২টি অন্যান্য লেখা নিয়ে প্রকাশিত হল লেখনী ঈদ সংখ্যা, এ ঈদ সংখ্যায় যাদের লেখা স্থান পেল তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক ভালোবাসা, লেখাগুলো বিশেষ কোন প্রকার সম্পাদনা ছাড়াই অবিকৃতভাবে প্রকাশ করা হল । তাই লেখার মৌলিকতা, তথ্য ও সত্ত্বের দায় সংশ্লিষ্ট লেখকদের।  

এই সংস্করণ কিছু মুদ্রন ও অন্যান্য ভুলত্রুটি রয়ে যেতে পারে। এই বিষয়টি সবাইকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে অনুরোধ করবো এবং ভবিষ্যতের জন্য যে কোন পরামর্শ ও মতামত কৃতজ্ঞতার সাথে সাদরে গ্রহন করা হবে ।



হাসান ইমতি

০১ লা আগস্ট, ২০১৪ ইং                                                                                         
উত্তরা, ঢাকা

সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০১৪

প্রকাশিত হল লেখনী ঈদ উল ফিতর সংখ্যা ২০১৪

আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে লেখনী পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হল লেখনী ঈদ উল ফিতর সংখ্যা ২০১৪ ইং । আমাদের ওয়েবসাইট www.lekhony.tk এর স্কিন শটের চিত্র সহকারে নিচে লেখনী ঈদ উল ফিতর সংখ্যা ২০১৪ ইং সংকলনের লিংকটি লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করে দেখানো হল । এই লিংকে ক্লিক করে সংকলনটি পড়া ও ডাউনলোড করা যাবে । যাদের লেখা এই সংকলনে স্থান পেল তাদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন । আগামীতে আমাদের নিজস্ব প্রকাশনা থেকে আরও অনেক ই-বই বের হবে এবং আমাদের লাইব্রেরীও আরও অনেক সমৃদ্ধ হবে, তাই সাথেই থাকুন, আপনি চাইলে এই বই গুলো সংগ্রহে রাখা বা অফ লাইনে পড়ার জন্য ডাউনলোডও করতে পারবেন, সেজন্য প্রথমে ক্লিক করে বইয়ের পাতাটি খোলার পর উক্ত পাতার উপরে তীর চিহ্নে ক্লিক করতে হবে । সবাইকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা ।



যে লেখাগুলো স্থান পেল লেখনী ঈদ সংখ্যায়



কবিতা

০১ ঈশ্বর - দেবাশিস লাহা
০২ কোন এক জনান্তিকে - হাসান ইমতি
০৩ গন্ধ - অব্যয় অনিন্দ্য
০৪ কল্পলোকের পুষ্প সুবাস - সাদা কাঁক
০৫ তুমি ফিরে যাবে! যাও তবে - কবির হোসেন
০৬ একান্ত কথনঃ জমাট হয়ে থাকা ক্ষতগুলো - অরণ্য সৌরভ
০৭ শক্তি দাও হে প্রভু - শহীদুল হক
০৮ আসলো আজ খুশীর ঈদ - সাইদুর রহমান
০৯ হে কবি - এম. আশিকুর রহমান
১০ আমাদের উৎসব - দীপঙ্কর বেরা
১১ আগামী কালের আশায় - ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
১২ স্বপ্নবীজের আয়ু - হাসান ইমতি
১৩ ঈদ - শাহানা শৈলী
১৪ কোন অনন্যার জন্য - অনিরুদ্ধ ভাদুড়ী
১৫ কুমাতা কদাপি নয় - স্বাতি ব্যানার্জী
১৬ সমান্তরাল - নৈশব্দ
১৭ পায়ে পায়ে - দীপঙ্কর বেরা
১৮ প্রজাপতি - দাদা মুহাইমিন চৌধুরী
১৯ ঈদ হাসছে ঈদ আসছে - কবির হোসেন
২০ ঈদ মানে খুশি - মারজিয়া আক্তার

গল্প

০১ আমার বউ ঐশ্বরিয়া - হাসান ইমতি
০২ কল্পনার ঈদ - কিউরিয়াস মাইন্ড

অন্যান্য লেখা

০১ আত্মীয় - ইন্দ্রানী ভট্টাচার্য
০২  একটি বিষন্ন ঈদ ! -শিল্পী রহমান

বুধবার, ১৮ জুন, ২০১৪

লেখনী সাহিত্য বিতর্ক

লেখনী সাহিত্য পরিবারের পক্ষ থেকে গঠনমূলক যুক্তি নির্ভর বিতর্ক ও মত বিনিনয়ের মাধ্যম হিসাবে শুরু হয়েছে লেখনী সাহিত্য বিতর্ক, মানবিক ভাব ও ভাবনার ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত, যার অনেক কিছুই কাগজ কলমে লেখা হয় না, লেখা সম্ভব হয়ে ওঠে না,

আর লিখলেই কি সব লেখা সাহিত্য পদবাচ্য হয় ?

কোন কোন বৈশিষ্ট্য বা বিষয়ের উপস্থিতি থাকলে কোন লেখাকে সাহিত্য পদবাচ্য বলা যায়, একটি পূর্ণ কবিতায়ই বা কি কি বিষয় থাকা আবশ্যক ? কোন লেখাকে কখন কবিতা বলা যায়, কখন বলা যায় না ?

এই বিষয়ে আমরা জানতে চাই আপনাদের মতামত । খোলা খুলি জানান আপনার নিজের ভাবনার কথা। এই বিষয়ে কারো কারো মতের মিল হতে পারে, আবার হতে পারে বিতর্কও । মত ও ভাবনার দ্বন্দ্ব ও বিনিময়ের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়ে উঠি আমরা । তো বন্ধু শুরু হোক এখান থেকেই, শুরু হোক এখনই।



আন্তরিক ধন্যবাদ সবাইকে । 


লেখনী - একটি সৃজনশীল সাহিত্য উদ্যোগ ।

মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

একটি দৃষ্টি আকর্ষণ

একটি বিষয়ে আমাদের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি । সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষাপটে কিছু সদস্যকে লেখনী থেকে ব্যান করা হয় । এরকম একটি বিষয় বন্ধুদের জানানো এবং মতামতের জন্য তুলে ধরা হল ।

"বোরহান মেহেদীঃ - গ্রুপ থেকে আমাকে বাদ দিলেন কি ? বুঝিয়ে বললে খুশী হবো। ধন্যবাদ। বোরহানমেহেদী । ১৮-০৬-২০১৪ইং।

লেখনী - Lekhony: - অন্যান্য অনেক ফেসবুক গ্রুপের মত লেখনীতে আমরা অদ্যবধি কোন নিয়ম নীতিমালা দেইনি কারন আমরা মনে করি যারা সৃজনের কারিগর তারা রুচিশীল ও বিবেকবান মানুষ তাদের কিছু স্বাধীনতা থাকা উচিৎ, তবে কারো বিষয়ে কোন সদস্যের কাছ থেকে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে থাকি, অপ্রাসঙ্গিক ও আপত্তিকত লেখা, ভিডিও এবং ছবির ব্যাপারে কয়েকটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা কয়েকজন সদসসকে ব্যানও করেছি । আপনার এক্যাউন্ট থেকে সংযুক্ত ফাইল সহ একই ধরনের পোষ্ট বারবার করা হয়েছে যা ভাইরাস বলে প্রতীয়মান হয় এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আপনার আইডি ব্যান করা হয়েছে । আপনি চাইলে এই ব্যাপারে কোন যৌক্তিক ব্যাখা দিতে পারেন, ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য হলে আপনার বিষয়টি পুনবিবেচনা করা হবে । ধন্যবাদ ।"

ঠিক নীতিমালা নয়, নিয়ম বা নীতিমালা শব্দটি সৃজনের কারিগরদের জন্য ঠিক উপযুক্ত বলে মনে করিনা, তবে গ্রুপ পরিচালনার স্বার্থে আমাদের কিছু Recommendations বা দিক নির্দেশনা আসবে সামনে । এ ব্যাপারেও আমরা কোন একক সিদ্ধান্ত দেব না, প্রথমে একটি খসড়া প্রস্তাবনা বা দৃষ্টি আকর্ষণী আসবে, পরিবারের বন্ধু, সদস্য ও শুভাকাঙ্খীদের মতামতের ভিত্তিতে সেটি চূড়ান্ত করা হবে । আন্তরিক ধন্যবাদ সবাইকে ।

রবিবার, ৪ মে, ২০১৪

প্রকশিত হল প্রথম লেখনী ত্রৈমাসিক ব্লগজিন জানুয়ারী - মার্চ ২০১৪ ইং সংকলন ।


আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে লেখনী পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হল প্রথম ত্রৈমাসিক অনলাইন জানুয়ারী - মার্চ ২০১৪ ইং সংকলন । আমাদের ওয়েবসাইট www.lekhony.tk এর স্কিন শটের চিত্র সহকারে নিচে প্রথম ত্রৈমাসিক অনলাইন জানুয়ারী - মার্চ ২০১৪ ইং সংকলনের লিংকটি লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করে দেখানো হল । এই লিংকে ক্লিক করে সংকলনটি পড়া ও ডাউনলোড করা যাবে । যাদের লেখা এই সংকলনে স্থান পেল তাদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন । 



শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৪

নারী দিবসের সেরা পছন্দ

সমাপ্তিহীন রূপকথা


- অব্যয় অনিন্দ্য


 










অন্ধ দাদু রূপকথা বলত
আর ছোট মামার লোমস হাত
অশ্লীল রূপকথা লিখে চলত আমার বুকে
কোন রাজপুত্রকে কোন ব্যাঙ্গমী এই খবর দেয়নি বলে
আমার ওই রূপকথার সোনারকাঠি সমাপ্তি হয়নি

উচ্চতা রূপকথা থেকে একটু বড় হলে
এক বৃষ্টির দিনে রবীন্দ্রনাথকে মাথায় দিয়ে বাবার বয়সী গৃহশিক্ষক
আমাকে ভেজাতে চাইলেন কাদম্বরী দেবীর মত

এ গল্পের শেষ নেই

কাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ক্লাস;
দাদুর সেই সন্ধ্যাগুলো আমাকে বিপদসীমার স্কেল উপহার দিয়েছে -
অনেক সাবধানী বানিয়েছে আমাকে
রূপকথা দিয়ে কাদম্বরীর মত আর ভিজাতে পারবে না কেউ

কিন্তু টিভিটা যে দিল্লীর নির্ভয়ার স্কেলে-না-ধরা রূপকথা দেখাচ্ছে ;
আর কাগজে দিনাজপুরের ইয়াসমিন হত্যার রজতজয়ন্তীর খবর

সব নারী শরীর পাথর না হওয়া পর্যন্ত এ রূপকথার শেষ নেই
অথবা বৃহন্নলা হোক সব পুরুষ