গল্প ও প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গল্প ও প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

"লেখনী - Lekhony" - একটি সৃজনশীল সাহিত্য উদ্যোগ .

মানুষের পরিচয় তার মননে, বেড়ে ওঠার জন্য একটি গাছের যেমন আলো, হাওয়া ও পরিচর্যা প্রয়োজন তেমনি মানুষের ভেতর সুপ্ত মননশীলতার বিকাশের জন্যও দরকার চর্চা ও প্রচার প্রসারের । এই কথা মাথায় রেখে সৃজনশীল মননকে স্বাগতম জানিয়ে "লেখনী - Lekhony" নামে শুরু হল একটি অনলাইন ভিত্তিক সাহিত্য উদ্যোগ ।. এই উদ্যোগের সুচনা ফেসবুক থেকে হলেও তা এখন সম্প্রসারিত হচ্ছে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে । সাহিত্যের চর্চা, প্রচার, প্রসার ও সব ধরনের সৃষ্টিশীল আলাপচারিতার খেত্র হিসেবে প্রথমে ফেসবুকে "লেখনী - Lekhony" নামে একটি সাহিত্য গ্রুপ ও পেজ খোলা হয়েছে । পেজ ও গ্রুপের ঠিকানা নীচে দেয়া হল ।


ফেসবুক সাহিত্য গ্রুপ "লেখনী - Lekhony"

ফেসবুক সাহিত্য পেজ "লেখনী - Lekhony" 

আমাদের সাথে যোগ দিয়ে এই উদ্যোগকে সফল করে তুলতে সৃজনশীল মননকে জানাই সাদর আমন্ত্রণ ।



লেখনী 
একটি সৃজনশীল সাহিত্য উদ্যোগ   

বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪

হনুমানের ফটো - দেবাশিস সেন



বয়েসেও স্বপ্ন দেখি ফটোগ্রাফার হওয়ারঠিক সময় হাতে ক্যামেরা পেলে জীবনটা হয়ত অন্য খাতে বইতকিন্তু স্বপ্নটা এখনও দেখিএই ত সেদিন একটা ক্যামেরা কিনেই আবার স্বপ্ন দেখা শুরু

প্রথমেই মনে এল শাহরুক খানের কথা, একটা লুঙ্গি ডান্সের ফটো যদি তুলতে পারতামধোনীর হেলিকপ্টার শট, মেসির ফ্রী কিক থেকে ডিসকভারি চ্যানেলের বড় বড় সাপ, হাতি, জলহস্তি কিছুই বাদ যায় নিকিন্তু এসব এখানে কোথায়! তাই স্বপ্নে ঘোরাঘুরি করতে লাগল হনুমানের দল

এরই মাঝে একদিন হনুমানের হামলাগোলাপ থেকে পেঁপে, বাগানের সব গাছের অবস্থা হনুমানের আক্রমনে অশোক বনের মতঘরের ভিতর তরকারির ঝুড়িরও নিস্তার নেইআমিও ক্যামেরা নিয়ে তৈরী আজ আমি ডিসকভারি চ্যানেলের ফটোগ্রাফার

দু চারটে হনুমান তখন লুঠতরাজে ব্যাস্তআমিও তাদের দিকে ক্যামেরা তাক করে রেডিক্লিক করতে যাব আর ঠিক সে সময় পেছন থেকে এক বানরীয় থাপ্পড়! হাত থেকে ক্যামেরা পড়তেই এক হনুমানের হাত ঘুরে দ্বিতীয় হনুমানের হাতে প্রাচীরের উপরহনুমানীও জিজ্ঞাসু মন নিয়ে তিনি তাঁর মুখের কাছে নিয়ে টানাটানি টেপাটেপি আরম্ভ করে দিয়েছেন আর আমি নীচে ক্যামেরা হারানর আতঙ্কে ডিস্কো ডান্সে থেকে মূকাভিনয়, এমন কি হনুমানের মতই দাঁত মুখ খিঁচানো সব করে যাচ্ছি মরীয়া হয়ে উঠেছি ক্যামেরা ফেরত পাওয়ার জন্যআমার দুরবস্থা দেখে ক্যামেরাটা একটা ঝোপে ফেলে দিয়ে হনুমানের দলটা চলে গেল

ক্যামেরা তুলে দেখলাম ওটা আস্তই আছেদু তিনটে ছবিও উঠে গেছে, তার ভিতর যেটা স্পষ্ট সেটা আমার দাঁত মুখ খিঁচানো ফটো, একেবারে হনুমানের মত