বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪
হনুমানের ফটো - দেবাশিস সেন
এ বয়েসেও
স্বপ্ন দেখি ফটোগ্রাফার হওয়ার। ঠিক সময় হাতে
ক্যামেরা পেলে জীবনটা হয়ত অন্য
খাতে বইত। কিন্তু
স্বপ্নটা এখনও দেখি। এই ত সেদিন একটা ক্যামেরা কিনেই
আবার স্বপ্ন দেখা শুরু।
প্রথমেই মনে এল শাহরুক খানের কথা, একটা লুঙ্গি ডান্সের ফটো যদি তুলতে পারতাম। ধোনীর হেলিকপ্টার শট, মেসির ফ্রী কিক থেকে ডিসকভারি চ্যানেলের বড় বড় সাপ, হাতি, জলহস্তি কিছুই বাদ যায় নি। কিন্তু এসব এখানে কোথায়! তাই স্বপ্নে ঘোরাঘুরি করতে লাগল হনুমানের দল।
এরই মাঝে একদিন হনুমানের হামলা। গোলাপ থেকে পেঁপে, বাগানের সব গাছের অবস্থা হনুমানের আক্রমনে অশোক বনের মত। ঘরের ভিতর তরকারির ঝুড়িরও নিস্তার নেই। আমিও ক্যামেরা নিয়ে তৈরী। আজ আমি ডিসকভারি চ্যানেলের ফটোগ্রাফার।
দু চারটে হনুমান তখন লুঠতরাজে ব্যাস্ত। আমিও তাদের দিকে ক্যামেরা তাক করে রেডি। ক্লিক করতে যাব আর ঠিক সে সময় পেছন থেকে এক বানরীয় থাপ্পড়! হাত থেকে ক্যামেরা পড়তেই এক হনুমানের হাত ঘুরে দ্বিতীয় হনুমানের হাতে প্রাচীরের উপর। হনুমানীও জিজ্ঞাসু মন নিয়ে তিনি তাঁর মুখের কাছে নিয়ে টানাটানি টেপাটেপি আরম্ভ করে দিয়েছেন। আর আমি নীচে ক্যামেরা হারানর আতঙ্কে ডিস্কো ডান্সে থেকে মূকাভিনয়, এমন কি হনুমানের মতই দাঁত মুখ খিঁচানো সব করে যাচ্ছি । মরীয়া হয়ে উঠেছি ক্যামেরা ফেরত পাওয়ার জন্য। আমার দুরবস্থা দেখে ক্যামেরাটা একটা ঝোপে ফেলে দিয়ে হনুমানের দলটা চলে গেল।
ক্যামেরা তুলে দেখলাম ওটা আস্তই আছে। দু তিনটে ছবিও উঠে গেছে, তার ভিতর যেটা স্পষ্ট সেটা আমার দাঁত মুখ খিঁচানো ফটো, একেবারে হনুমানের মত।
প্রথমেই মনে এল শাহরুক খানের কথা, একটা লুঙ্গি ডান্সের ফটো যদি তুলতে পারতাম। ধোনীর হেলিকপ্টার শট, মেসির ফ্রী কিক থেকে ডিসকভারি চ্যানেলের বড় বড় সাপ, হাতি, জলহস্তি কিছুই বাদ যায় নি। কিন্তু এসব এখানে কোথায়! তাই স্বপ্নে ঘোরাঘুরি করতে লাগল হনুমানের দল।
এরই মাঝে একদিন হনুমানের হামলা। গোলাপ থেকে পেঁপে, বাগানের সব গাছের অবস্থা হনুমানের আক্রমনে অশোক বনের মত। ঘরের ভিতর তরকারির ঝুড়িরও নিস্তার নেই। আমিও ক্যামেরা নিয়ে তৈরী। আজ আমি ডিসকভারি চ্যানেলের ফটোগ্রাফার।
দু চারটে হনুমান তখন লুঠতরাজে ব্যাস্ত। আমিও তাদের দিকে ক্যামেরা তাক করে রেডি। ক্লিক করতে যাব আর ঠিক সে সময় পেছন থেকে এক বানরীয় থাপ্পড়! হাত থেকে ক্যামেরা পড়তেই এক হনুমানের হাত ঘুরে দ্বিতীয় হনুমানের হাতে প্রাচীরের উপর। হনুমানীও জিজ্ঞাসু মন নিয়ে তিনি তাঁর মুখের কাছে নিয়ে টানাটানি টেপাটেপি আরম্ভ করে দিয়েছেন। আর আমি নীচে ক্যামেরা হারানর আতঙ্কে ডিস্কো ডান্সে থেকে মূকাভিনয়, এমন কি হনুমানের মতই দাঁত মুখ খিঁচানো সব করে যাচ্ছি । মরীয়া হয়ে উঠেছি ক্যামেরা ফেরত পাওয়ার জন্য। আমার দুরবস্থা দেখে ক্যামেরাটা একটা ঝোপে ফেলে দিয়ে হনুমানের দলটা চলে গেল।
ক্যামেরা তুলে দেখলাম ওটা আস্তই আছে। দু তিনটে ছবিও উঠে গেছে, তার ভিতর যেটা স্পষ্ট সেটা আমার দাঁত মুখ খিঁচানো ফটো, একেবারে হনুমানের মত।
মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৪
খুঁজেছি তাকে - Shanti Pria
বাংলার আনাচ কানাচ ,গ্রাম
থেকে গ্রামে ঘুরে
শহর থেকে বন্দরে
সর্বত্র ঘুরেছি আমি ,তন্ন তন্ন করে
ঘুরেছি কত দেশ ,
হংকং থেকে ইউরোপ ,প্যারিস, ব্রাসেলস,
বার্লিন থেকে কোপেন হেগেন
খুজেছি একজন মানুষকে
যে হবে আমার মনের মানুষ
পাইনি কোথাও , হন্যে হয়ে খুঁজেছি তাকে ।
অবশেষে দেখা পেলাম তোমার,
কিন্তু হায়, তখন তুমি..........
তোমাকে পেয়েও , পাওয়া হলো না
দুনিয়ার এ জীবন বড়ই অনিশ্চিত
কোন কিছু ঘটে না , মনের মত করে
এটাই জীবন মানবের।
শহর থেকে বন্দরে
সর্বত্র ঘুরেছি আমি ,তন্ন তন্ন করে
ঘুরেছি কত দেশ ,
হংকং থেকে ইউরোপ ,প্যারিস, ব্রাসেলস,
বার্লিন থেকে কোপেন হেগেন
খুজেছি একজন মানুষকে
যে হবে আমার মনের মানুষ
পাইনি কোথাও , হন্যে হয়ে খুঁজেছি তাকে ।
অবশেষে দেখা পেলাম তোমার,
কিন্তু হায়, তখন তুমি..........
তোমাকে পেয়েও , পাওয়া হলো না
দুনিয়ার এ জীবন বড়ই অনিশ্চিত
কোন কিছু ঘটে না , মনের মত করে
এটাই জীবন মানবের।
আজ আমার বিচার - আকাশ মির্জা
আজ আমার বিচার— মোমের কাঠগড়ায়
ভাঙা দর্পণে
আমি জনতা— আমি ধর্মাবতার
আমি সাক্ষী— আমারই বিচার ।
নতজানু আমি
প্রতিবিম্ব, ধ্বনিত করল শ্লোগান— ফাঁসিতে ঝোলাও
লম্পটটারে— ফাঁসিতে ঝোলাও ।
ওগো ধর্মাবতার— তাই হোক তবে—এবার
আরম্ভ কর আমার
শুরু থেকে শেষ অবধির— বিচার
খিস্তি-খেঁউড় বাদ যাবে কি— মদ্যপ অবস্থা !
ধরা যাক বাদ গেল
তাহলে— এখন আমার বিচার কেন
এখন— এই মুহূর্তে
কাঠগড়ার মোম গলছে
প্রতিবিম্ব নড়ে উঠল— ধিরে ধিরে
চোখের সামনে হারিয়ে যেতে লাগলো
জনতা-ধর্মাবতার-সাক্ষী-বিচার...
কি হল— কি হল
ওগো ধর্মাবতার— কি হল !
ঝপ করে লোডশেডিং এর মত
অন্ধকার হয়ে গেল চারিধার...
সেই ভূতুড়ে ন্যাড়া গাছ— বড় বিদঘুটে
সূর্য ডুবলেই তুমি বলতে— বাড়ি চল— বাড়ি
আমার ভয় করছে
আথচ আজ ঘন রাত্রে তুমি নির্ভয়ে দাঁড়িয়ে
কি করছ— কি করছ এখানে !
ইশারায় চুপ করতে বলে— তুমি
কাছে ডাকলে— সেই পুরানো ভঙ্গিমায়
কোলে টেনে নিয়ে— বললে
ঘুমাও— এবার ঘুমাও...
চোখ বন্ধ করতেই
ঝলসানো বাতাস ছিঁড়ে নিতে লাগলো
গায়ের চামড়া— জ্বলতে লাগলো পেশী- হাড়
আমি বুঝতে পারছি
এটাই বিচার— এটাই বিচার
কিন্তু— তুমি
তুমি কোন অজুহাতে পুড়তে এলে
আমার পাপে ?
( সংক্ষিপ্ত )
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)




